ঘরে পাতা মিষ্টি দই

ঘরে পাতা মিষ্টি দই
ঘরে পাতা মিষ্টি দই

আধুনিক ও সনাতন পদ্ধতি দুইভাবেই বানিয়েছি। অনেক সুন্দর জমেছে দুটোই আর সেইইই মজা : মাটির পাত্রের দই দুইটা বানিয়েছি সনাতন পদ্ধতিতে। আর সিরামিকের সাদা বাটির দইটা আধুনিক পদ্ধতিতে। আমার কাছে জানতে চাইলে আমি বলবো একটু লম্বা প্রসেস হলেও সনাতন পদ্ধিতেই টেস্টি বেশি হয়। কথায় আছে না ”Old is Gold ‘

সনাতন পদ্ধতিতে দই বানানোর জন্য লাগবে:


[tie_list type=”plus”]

  • ফুলক্রিম দুধ ২ লিটার
  • টক দই ১/৪ কাপ
  • চিনি পৌনে ১ কাপ বা স্বাদ অনুযায়ী
  • মাটির পাত্র

[/tie_list]

প্রণালি:


১। একটা পাত্রে ২ লিটার দুধ ও আপনার স্বাদ অনুযায়ী চিনি দিয়ে জ্বালাতে থাকুন। দুধ ফুটিয়ে একদম ঘন করতে হবে , তবে খেয়াল রাখবেন যেন কোনো সর না পড়ে। ক্রমাগত নেড়ে নেড়ে ঘন করে ১/২ লিটারের কিছু কম করে নিতে হবে। এতে করে দই এ দারুণ বাদামি কালার আসবে। আর চিনিটা আসলে পরে দিলে ভালো হয়। ঘন হয়ে যাওয়ার পর চিনিটা অ্যাড করলে আর মিষ্টি বেশি হওয়ার ভয় থাকে না।

২। দুধ মোটামুটি ঠাণ্ডা করে নিন , আপনার হাতের আঙুল ডুবিয়ে রাখলে গরম সহ্য হয় ততটা ঠান্ডা করলেই চলবে। তবে সাবধান এর বেশি গরম থাকলে এতে টক দই মেশানোর পর কিন্তু চান কেটে যাবে একটা পাত্রে টক দই টা ভালকরে ফেটে নিয়ে তাতে দুধ মেশান। এমন ভাবে মেশাবেন যাতে দুধের সাথে দুইটা পুরোপুরি মিশে যায় আর মিশ্রনে ফেনা উঠে।

৩। এবার যে পাত্রে দই জমাতে চান তাতে ফেনা সহ দুধের মিশ্রণ টি ঢেলে দিন। তারপর যে কোন গরম স্থান যেমন আলমারি, চুলার নিচে, রান্নাঘরের তাক ইত্যাদি জায়গা যেখানে তুলনামূলক গরম সেখানে রেখে দিন। ওপারে মোটা কাঁথা বা কম্বল জাতীয় কিছু দিয়ে ঢেকে দিন। তবে এসব স্থানে দই জমতে পাত্রের সাইজ হিসেবে ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা সময় লাগবে। হয়ে গেলে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

আধুনিক পদ্ধতিতে দই তৈরিতে যা লাগবে :


[tie_list type=”plus”]

  • ফুলক্রিম দুধ ১ লিটার
  • টক দই ২৫০ গ্রাম
  • চিনি ১/২ কাপ বা স্বাদ মতো -আধুনিক মানুষেরা চিনি কম খায় 😉

[/tie_list]

কাঁচের, মাটির ,প্লাস্টিক , মেলামাইনের বা সিরামিক যে কোনো পাত্রেই বানাতে পারবেন।

প্রণালি:


১। দুধ ফুটিয়ে পৌনে ১ লি করুন। ক্রমাগত নেড়ে নেড়ে ১ লিটারের কিছু কম করে নিতে হবে। অন্য একটা পাত্রে চিনি ও খুবই সামান্য পানি দিয়ে জ্বালিয়ে ক্যারামেল তৈরি করুন। কম আঁচে চুলার ওপর বার বার নেড়ে নেড়ে মেশাতে থাকুন। চিনি লালচে হলে নামিয়ে তারপর এতে ফুটিয়ে রাখা গরম দুধ মিশিয়ে আবার কিছুক্ষণ নাড়ুন। এতে করে দই এ দারুণ বাদামি কালার আসবে।

২। দুধ মোটামুটি ঠাণ্ডা করে নিন , আপনার হাতের আঙুল ডুবিয়ে রাখলে গরম সহ্য হয় ততটা ঠান্ডা করলেই চলবে। তবে সাবধান এর বেশি গরম থাকলে এতে টক দই মেশানোর পর কিন্তু চান কেটে যাবে একটা পাত্রে টক দই টা ভালকরে ফেটে নিয়ে তাতে দুধ মেশান। এমন ভাবে মেশাবেন যাতে দুধের সাথে দইটা পুরোপুরি মিশে যায় আর মিশ্রনে ফেনা উঠে। এর জন্য আপনি ইলেকট্রিক বা নরমাল এগ বিটার ব্যবহার করতে পারেন।

৩। যে পাত্রে দই জমাতে চান তাতে ঢেলে কিছু একটা দিয়ে ঢেকে দিন। ওভেনে ঢুকিয়ে (৫০-৮০ ডিগ্রি সে) রাখুন দিয়ে ১ ঘন্টা মতো , তারপর ওভেন বন্ধ করে দিবেন। ২ ঘণ্টা পরে দই জমে গেলে বের করে এনে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

টিপস :


১। সনাতন পদ্ধতিতে দই বানাতে গেলে বারবার দেখতে যাবেন না হলো কিনা। তাপমাত্রার হেরফের হলে অনেক সময় দই ঠিক মতো জমে না।

২। টক দই মেশানোর সময় মনে রাখবেন বেশি মেশালে ক্ষতি নেই, কিন্তু কম হলে দই ঠিক মত জমবে না।

৩। চেষ্টা করবেন যাতে টকদইয়ের পানি দুধের মিশ্রনে না যায়। অনেক সময় পানিসহ দই মেশালে দই ভাঙার পর পানি কাটে বেশি। আমি টক দইয়ের পানি সুতি কাপড়ে করে ঝরিয়ে নেই। এতে করে দইটা ভালো জমাট বাঁধে আর পানি ও বের হয় না।

Ingredients:

[tie_list type=”plus”]

  • Milk: 1 litre (full cream)
  • Sugar: 4 +2 tablespoon
  • yoghurt: 250 g

[/tie_list]

Preparation:


Boil the milk with 4 tablespoons of sugar and reduce it to half.  Let the milk cool down to room temperature. Now heat a pan and caremalise 2 tablespoons of sugar. Add the boiling milk to the caremalised sugar and stir till the sugar completely dissolves.Now mix in the yoghurt and pour it into an earthen pot and leave it in warm oven(50-80 C) for 2 hours . Once set, refrigerate it for a couple of hours and serve chilled.

NOTE: Do not add yoghurt when the milk is hot, it will curdle. The amount of sugar can be increased or reduced to suit your taste. . instead of one big earthen pot, you can use or 4-6 small ones.