ড্ৰাই কেক পছন্দ করেন না এমন মানুষ কমই আছেন। অন্ততপক্ষে টোস্ট বিস্কুটের সাথে মোকাবেলায় এই কুড়মুড়ে স্বাদের মিষ্টি কেক বিস্কুট এগিয়েই থাকে। বেকারি থেকে বেশ দাম দিয়েই কেজি দরে আমরা এই বিস্কুট কিনে খাই। কিন্তু চাইলে খুব সহজেই ঘরে এর অর্ধেক দামে আপনি নিজেই বানিয়ে নিতে পারেন। আসলে আপনি যদি প্লেইন কেক ঘরে বানাতে পারেন তাহলে ড্ৰাই কেক বানানো আপনার জন্য হবে ছু-মন্তর। কারণ কেক টোস্ট করে বা ডাবল বেক করে মুচমুচে করে নিলেই হয়ে যাবে ড্ৰাই কেক। চলুন জেনে নেই পুরো প্রস্তুত প্রণালী।

আমাদের দেশীয় মিষ্টি বানানোর কথা শুনলে আমরা কমবেশি সবাই কিছুটা ঘাবড়ে যায়। কারণ মিষ্টি বানানোর পদ্ধতিগুলো সহজ হলেও মোটামুটি প্রাকটিস ও অভিজ্ঞতা না থাকলে পারফেক্ট মিষ্টি বানানো অতটাও সহজ নয়। বিশেষ করে ছানার মিষ্টি গুলো। কারণ চান পারফেক্ট না হলে মিষ্টি কিছুতেই ভালো হয় না। তাই এবারে আপনাদের জন্য ছানা ছাড়া একটা সহজ মিষ্টির রেসিপি নিয়ে এলাম। ময়দা দিয়ে একদম মিষ্টির দোকানের মতো পারফেক্ট বালুসাই/বালুশাহী যার বাইরেটা হালকা ক্রিস্পি ও ভেতরটা তুলতুলে নরম রসালো হবে। তবে হ্যাঁ, পরিমাপটা অবশ্যই ঠিক ঠিক নিতে হবে।

খুব সহজ আর চটজলদি তৈরী করা যায় এমন মিষ্টান্নের তালিকায় ফ্রুট কাস্টার্ড খুবই জনপ্রিয়। বাচ্চা থেকে বড় সবাই খুব পছন্দ করে খায়। যেকোনো অনুষ্ঠানে মিষ্টি মুখ করতে বানিয়ে নিতে পারেন এই মজাদার ডেজার্টটি। বিশেষ করে গরমের সময় খেতে তো খুব ভালো লাগবে ….চলুন তাহলে বানিয়ে নেয়া যাক।

ক্যারামেল পুডিং বা ডিমের কাস্টার্ড পুডিং… আমরা কমবেশি সবাই বানাতে পারি। তবু সবসময় কি পারফেক্ট পুডিং হয় সেটা? একটা পারফেক্ট ক্যারামেল এগ পুডিং মানেই হলো…তুলতুলে জিগলি টেক্সচার যেটা মুখে দিলেই মিলিয়ে যাবে। ক্যারামেলের কালারটাও হবে সুন্দর লাইট, কোনো তিতকুটে ভাব থাকবে না এবং সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পুডিং এর চারপাশে কোনো রকম ছিদ্র থাকবে না। not a single one! সাথে চারপাশ সুন্দর একটা লাইট ক্রীম কালার এর থাকবে, সেই রকম একটা পুডিং এর টিপস সহ রেসিপি নিয়ে আমার আজকের আয়োজন। চলুন দেখে নেয়া যাক।

ঈদে মিষ্টিমুখ মানেই সেমাই-ফিরনী-পায়েস। সহজ রান্না তাই মোটামুটি সবাই পারেন। তারপরও যারা নতুন রাঁধুনি আছেন তাদের জন্য আমার এই স্পেশাল ফিরনীর রেসিপি। এভাবে সাধারনত বিয়ে বাড়িতে করে থাকে। যার জন্য ওই ফিরনিতে একটা স্পেশাল ব্যাপার থাকে। চলুন দেখে নেই বাবুর্চি স্টাইলে বিয়ে বাড়ির শাহী ফিরনি।

গায়ে হলুদের তত্ত্বে বা যেকোনো অনুষ্ঠানে একটু ভিন্নস্বাদের মিষ্টান্ন বানানোর কথা যদি ভেবে থাকেন তাহলে এই নারকেলের হালুয়া বা সন্দেশ হতে পারে মোক্ষম অস্ত্র। অল্প উপকরণে ঝটপট বানিয়ে নিন আর তাক লাগিয়ে দিন সব্বাইকে।

শীতকাল শব্দটা শুনলেই ভোজন রসিকদের মাথায় পরপর কয়েকটা নাম সারি বেঁধে চলে আসে। যেমন, পিঠাপুলি, খেজুরের রস, খেজুর গুড়, বাহারি সবজি ইত্যাদি ইত্যাদি। আর শীতের সময়ে বাজার ভর্তি হয়ে যায় নানারকম সুস্বাদু টাটকা সবজিতে। গাজর তার মধ্যে একটি। সাধারণত বিভিন্ন রান্নাকে কালারফুল করতেই আমরা গাজর বেশি ব্যবহার করি। তাছাড়া এই সব্জিটা দিয়ে আরো নানারকম মুখরোচক ডেজার্ট বানানো যায়। যেমন গাজরের হালুয়া, গাজরের বরফি, ছানা গাজরের সন্দেশ বা ক্যারোট ডিলাইট, গাজরের কেক/ক্যারোট কেক, বেকড ক্যারোট ডিলাইট আরো কত কি! এই সব কিছুর মধ্যে সবথেকে সহজ আর ঝটপট তৈরী করা যায় গাজরের হালুয়া, আর এখন আমরা সেটাই দেখে নিবো।

রসগোল্লা…, এটা শুধু একটা মিষ্টি নয়। বাঙালীর ঐতিহ্যের সাথে মিলেমিশে আছে এই নাম। এপার বাংলা বলুন আর ওপার বাংলা…মিষ্টি মানেই রসগোল্লা। দিনে দিনে যত বাহারি স্বাদের বা নামের মিষ্টিই আসুক না কেন রসগোল্লার জায়গা কেও কখনো নিতে পারে নি। চলুন আজকে এই রসগোল্লা বানানোর অদ্যোপান্ত জেনে নেয়া যাক।

আমি ঠিক যে পরিমাপে বানিয়েছি সেই মাপটাই দিচ্ছি…। আপনারা পরিমাপ ঠিক রেখে উপকরণের পরিমান কমবেশি করে নিতে পারবেন। ঈদ মানেই খুশির বন্যা। খুশির পরিমানটা বাড়াতে নানারকম মুখরোচক খাবার বিশেষ করে মিষ্টিজাতীয় খাবার আমরা একটু বেশি করে থাকি এই দিনে। কেমন হয় যদি ঈদ বা অন্য যে কোনো অনুষ্ঠানে খাবার টেবিলে আপনার নিজের হাতের বানানো চমচম পরিবেশন করা যায়? ভাবছেন ঝামেলার ব্যাপার, যদি না হয়। হ্যাঁ, অবশ্যই ঝামেলার ব্যাপার। তবে নিজের হাতের বানানো জিনিসের মর্মই আলাদা। তাই আপনাদের এই ঝামেলাকে একটু সহজ করে দিতে আমার আজকের চেষ্টা। আশা করছি একটু হলেও কাজে আসবে। আর একটি কথা আমি বলতে চাই, যে রসগোল্লা বানাতে পারে সে চমচম ও পারবে। দুটোর মধ্যে প্রস্তুত প্রণালী’তে খুব বেশি তফাৎ নেই, যদিও স্বাদে আলাদা।

খুব সহজে ঘরের সাধারন উপকরণ দিয়ে বানানো মোঘলাই ডেসার্ট শাহী টুকরার রেসিপি এবারে আপনাদের জন্য। ডেজার্টটির আসল স্বাদ পেতে চেষ্টা করবেন অবশ্যই ঘি এবং ঘন দুধ ব্যবহার করতে। মালাই বানানোর জন্য সময় বাঁচাতে চাইলে দোকানের কেনা হেভিক্রিম ও এভাপোরেটেড মিল্ক ব্যবহার করতে পারেন। আর মিষ্টি করার জন্য চিনির বদলে দিতে পারেন কনডেন্সড মিল্ক। তবে সবসময় যেহেতু এগুলো হাতের কাছে পাওয়া যায় না তাই ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণেই আমি শাহী টুকরার রেসিপি দিচ্ছি।