নাম শুনে হয়ত মনে হতে পারে এর নাম জালি কাবাব কেন? এটা আসলে পুরান ঢাকার স্পেশাল কাবাব যার বাইরের আবরণটা জাল বা নেটের মত হয়ে থাকে। এখন কথা হচ্ছে এই জালি ভাব টা আসবে কিভাবে? আমরা সাধারনত কাবাব বানতে ডিমে চুবিয়ে তারপর ব্রেডক্রাম এ গড়িয়ে নেই….এটার ক্ষেত্রে করতে হবে উল্টো.. বাকিটা দেখে নিন রেসিপি তে…

উত্তর কলকাতার শ্যামবাজার এর পাঁচ মাথার মোড়ের গোলবাড়ির বিখ্যাত কষা মাংসের কথা কমবেশি সবার জানা। তেলে ভাসা, মশলায় মাখা নরম-তুলতুলে গাঢ় খয়েরি রংএর মাংস সাথে গরম মশলার মনমাতানো সৌরভ -সবমিলিয়ে দারুন ব্যাপার। গোলবাড়ির সেই আদি আর অকৃত্রিম কষা মাংসের রেসিপি কিছুটা রহস্যময়। তবে আমার কাছে এটা অনেকটাই আমাদের দেশি কালাভুনার মতো মনে হয়। তাই এবারের রেসিপি ঘরোয়া পদ্ধতিতে কোলকাতা স্টাইলে “মটন কষা/গোলবাড়ির কষা মাংস”। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।

কাচ্চি বিরিয়ানী খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। অনেকেই ভাবে এটা রান্না করা খুবই কঠিন। একটু কঠিন বটে তবে অসম্ভব নয়। কাচ্চি বিরিয়ানী আর সাধারণ বিরিয়ানির মধ্যে কিন্তু একটা পার্থক্য আছে। সাধারণত বিরিয়ানী রান্না করতে আমরা পোলাও আর মাংসটাকে আলাদা ভাবে রান্না করে তারপর একসাথে দমে রাখি। আর তেহারির বেলায় মাংস আগেথেকে রান্নাকরে তারপর পোলাও এর সাথে আবারো রান্না করা হয়। কিন্তু কাচ্চির বেলায় কাঁচা মাংসের সাথেই পোলাওটাকে দমে রেখে রান্না করা হয়।

শীতের দিনের স্পেশাল খাবারের মধ্যে নারকেল দুধে হাঁসের মাংস অন্যতম একটি আইটেম। আর এই হাঁস ভুনা’র সাথে গরম গরম চিতই পিঠা/ ছিটরুটি অথবা চালের রুটি যদি হয় তাহলে তো কথায় নেই, জমে এক্কেবারে ক্ষীর! তাই এবারে নিয়ে এলাম ভীষণ মজার নারকেল দুধে হাঁস ভুনার রেসিপি। বাটা মশলায় রান্না করলে বেশি মজা হয়, তবে চাইলে গুঁড়া মশলা দিয়েও রান্না করা যাবে এই নারকেল দুধে হাঁস ভুনার রেসিপি।

বিরিয়ানি খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে ভালো বিরিয়ানী রান্না করতে পারেন এমন মানুষ পাবেন হাতে গোণা কয়েকজন। শুধু রান্নার পদ্ধতির জন্য নয় পারফেক্ট স্বাদের বিরিয়ানী বানাতে পারফেক্ট বিরিয়ানী মশলারও দরকার হয়। বিরিয়ানী তো নানারকম হয়ে থাকে, রান্নার পদ্ধতির সাথে সাথে উপকরণেরও রকমফের থাকে তাতে।

বিকালের নাস্তায় চায়ের সাথে ধোঁয়া ওঠা গরমা গরম সিঙ্গারা কার না পছন্দের! খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় দারুণ মজার এই স্নাকস টি। অনেকে বাড়িতে এটা করেও থাকেন। এত যত্ন করে বানানোর পরেও কেন যেন কিছুতেই দোকানের সিঙ্গারার মত হয় না। ভাজার সময় মুচমুচা দেখালেও নামানোর পরেই কেন যেন নরম হয়ে যায়। আর দোকানের সিঙ্গারার মত গা টা মসৃণ হয় না।