বৈশাখে ভর্তা পরিবেশন না করলে যেন বৈশাখ পরিপূর্ণ মনে হয় না । নানান পদের ভর্তা ও গরম ধোয়া ওঠা ভাত দিয়ে দুপুরে খাবারের আয়োজনটা যেন জমপেশ হয়ে যায় । অথবা ইদ আয়োজনে প্রচুর মাংসের আয়োজন শেষ করে যেন একটু সাদামাটা খাবার খেতে মন চায়। সেই সাদামাটা খাবারটা কিন্তু হতে পারে এই কুচো চিংড়ি ভর্তা। চিংড়ি মাছটা বেশ সবাই খেতে পছন্দ করে। সবাই কম বেশি এই ভর্তাটি খেতে পছন্দ করি আর আমার তো বেশ প্রিয় এই ভর্তাটি। তাহলে চলুন কথা না বাড়িয়ে দেখে নেই এই মজার ভর্তা রেসিপিটি।

বাসায় সাধারনত মাটন কারী বা ভুনা টাই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে সবার। কিন্তু কোনো অনুষ্ঠানে আমরা চাই অতিথি’র সামনে একটু স্পেশাল কোনো ডিশ পরিবেশন করতে। সেক্ষেত্রে মাটন রেজালা থাকতে পারে আপনার পছন্দের তালিকায়। খুব সহজ রেসিপিতে গুটিকতক উপকরণে আপনি নিজে ঘরেই তৈরী করতে পারেন বিয়ে বাড়ির স্বাদে ”মাটন রেজালা” ….অনেকটা কোরমার মতো স্বাদ আবার ঝাল ঝাল ও থাকে। আশা করছি ভালো লাগবে সবার।

চট্টগ্রাম জেলার নামের সাথে সমুদ্রসৈকত শব্দটা যেমন সবচেয়ে ভালো মানায়, তেমনি ভোজন রসিকের মনে চট্টগ্রামের সাথে মেজবান বা মেজবানি শব্দটাও সবার আগেই উঁকি দেয়। ঐতিহ্যবাহী মেজবান অনুষ্ঠানের সবচেয়ে প্রধান যে আকর্ষণ, তা হলো মেজবানি মাংস। তাই এবারে বাবুর্চিদের রেসিপিতে অরিজিনাল মেজবানি মাংস রান্নার পদ্ধতি রইলো আপনাদের জন্য।

ভুনা খিচুড়ি আমরা কম বেশি সবাই পছন্দ করি। আর সেই খিচুড়ির সাথে যদি আচার আর মাংস যোগ হয় তাহলে স্বাদটা আরো বেড়ে যায়। ঝুমঝুম বৃষ্টি’র দিন উদযাপন করতে বা ছোটখাট গেট টুগেদারের পার্টিতে দারুন জমে যাবে এই আচারি চিকেন ভুনা খিচুড়ি। আপনারা চাইলে চিকেনের পরিবর্তে বেঁচে যাওয়া বিফ বা মাটন ভুনা ও ব্যবহার করতে পারেন।

আমার আজকের রেসিপি চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ”কালাভুনা বা গরুর মাংসের কালোভুনা” । চেষ্টা করেছি ঐতিহ্য এবং মূল বৈশিষ্ট বজায় রেখে সহজ ভাবে রান্নাটি দেখাতে। সবসময় ঘরে থাকে এমন কিছু মশলা দিয়েই রান্নাটা করবো যাতে ব্যাচেলর ও নতুন রাঁধুনিরা সহজেই রেসিপিটা অনুসরণ করতে পারেন। ওরে বাবা, এইটা রান্না করতে বহুত ফ্যাচাল। … অতডি মশলা কই পামু?” …বলে হাত গুটিয়ে না থাকেন। তবে হ্যাঁ, স্বাদের কোনো কম্প্রোমাইজ হবে সে আগে থেকেই বলে রাখছি। চলুন তাহলে দেখে নেই বানাতে কি কি লাগবে ….

ছুটির দিনে স্পেশাল খাবার বলতে পোলাও , মাংস বা বিরিয়ানী টাইপের খাবারই বেশি খাওয়া হয় সবার। মাছ থাকলেও ভুনা বা ফ্রাই করা হয়। এবার শুধু মাছ দিয়েই করে দেখুন মজাদার এই ডিশটি যা আপনাকে স্পেশাল খাবার এর আমেজ ও দিবে সাথে ভরপুর প্রোটিন। সহজে তৈরী করা যায় বলে যারা মাছ পছন্দ করেন তাদের আশা করি রেসিপি টি অনেক ভালো লাগবে …!

আজকাল বিয়ে বাড়িতে পোলাও এর সাথে একটা বিশেষ সবজি সার্ভ করে যেটা দেখতে অনেকটা চায়নীজ মিক্সড ভেজিটেবলের মতো হলেও খেতে গেলে বোঝা যায় এর মধ্যে একটা শাহী আমেজ আছে। চলুন তাহলে দেখে নেই বিয়ে বাড়ির সেই শাহী সবজির রেসিপি।

ঈদ বা বিভিন্ন দাওয়াত মানেই টেবিল ভর্তি বাহারি মাংসের আইটেম। তাই এসময়ে দুএকটা সবজি আইটেম হলে মন্দ হয় না। সব থেকে ভালো হয় যদি সেটা পোলাউ এর সাথেও সার্ভ করা যায়। তাহলে মেহনদারিতেও দারুন জমে যাবে। তাই এবারের রেসিপি দই বেগুন বা বেগুন বাহার যা শুধু পোলাও নয়, ভাত , রুটি, পরোটা, লুচি সবকিছুতেই বাজিমাত করে দিবে।

পোলাওয়ের সাথে সার্ভ করার জন্য আমার সবথেকে পছন্দের কাবাব হচ্ছে শামি বা টিকিয়া কাবাব। এগুলো খেতে যে কি মজা হয় সেটা তো আপনারা সবাই জানেন। তবে আজ মাংসের বদলে মাছ দিয়ে এই শামি কাবাব বানিয়ে দেখাবো। খুব কম সময়ে ঝামেলাহীন ভাবে বানানো যায়। আর সবথেকে বড় সুবিধা হলো, একদিন সময় করে বেশি করে বানিয়ে রাখলে ৩/৪ মাস ডিপ ফ্রিজে রেখে প্রয়োজনমত ব্যবহার করা যায়। বাচ্চার টিফিন থেকে শুরু করে ঝটপট মেহমানদারিতেও ভীষণ কাজে দেয়।

ইলিশ এমন একটা মাছ যা শুধু নুন মরিচ দিয়ে সেদ্ধ করে খেলেও যেন অমৃত। তবে আমাদের বাঙালিদের তো রসনাবিলাসের অভাব নেই। কত ভাবেই না আমরা এই মাছের রাজার অপূর্ব স্বাদটা উপভোগ করি। আজ আপনাদের জন্য থাকলো বৈশাখ স্পেশাল ইলিশ দিয়ে পুরোনো দিনের এক মজার খাবারের রেসিপি।