কেক খেতে পছন্দ করে না এমন খুব কম মানুষই আছে। আর বিশেষ দিনগুলোতে যেমন জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকীতে কেক ছাড়া তো আমাদের চলেই না। তবে আজ একটু ভিন্ন ধরনের কেক রেসিপি জানবো। সুজির কেক বাসবুসা বা সেমোলিনা কেক মধ্যপ্রাচ্যের ভীষণ জনপ্রিয় একটি ডেজার্ট। এই কেকটির প্রধান বৈশিষ্ট্য এটি আটার বদলে সুজির দিয়ে তৈরি। খুবই কম সময়ে আর খুব সহজেই তৈরী করা যায় এই অসাধারণ ডেসার্ট। চলুন দেখে নেই সেই দারুন রেসিপিটি :)

আচার কমবেশি সবাই পছন্দ করে কিন্তু সেটাই যদি হয় একটু সাস্থ্যকর ... তাহলে কেমন হবে ? আপনারা সবাই জানেন রসুন আমাদের সাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী। সেই রসুন দিয়েই আপনাদের জন্য আজ থাকছে অনেক মজার একটা আচার। আমার ঘরে মোটামুটি সবসময় এই আচার টা থাকে ... কখনো শুধু রসুনের , কখনো সাথে আম /তেঁতুল/ চালতা / জলপাই বা আপেল দিয়ে। তবে আমি আজ রসুনের আচারের ক্লাসিক রেসিপিটা দিচ্ছি , চাইলে আপনার পছন্দমত যেকোনো টকফল টুকরো করে কেটে দিয়েও বানাতে পারেন জিভে জল আনা এই রসুনের আচার।

আইসক্রিম কেক.....অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল এটা বানানোর। আমি এখানে ভ্যানিলা ও চকোলেট আইসক্রিম ব্যবহার করেছি আর আইসক্রিম গুলো ঘরে তৈরী করে নিয়েছি। খুবই সাধারণ কিছু উপাদান দিয়ে তৈরী এই আইসক্রিম, আলহামদুলিল্লাহ দোকানের আইসক্রিম এর থেকে কোনো অংশে কম হয় নি। চলুন দেখে নেই সহজ সেই রেসিপি টি। :)

আমাদের বিকেলের নাস্তায় একটু মুখোরোচক কিছু না হলে যেন চলেই না। আর চায়ের সাথে যদি চপ, পুরি অথবা কচুরি জাতীয় কিছু থাকে তাহলে তো কথায় নেই। আজকের রেসিপি খাস্তা মটর কাচরি অথবা কচুরি তেমনই মুখোরোচক জাতীয় একটি খাবার। এটাকে অবশ্য মটর পুরিও বলা হয়। কোনো রকম বেকিং সোডা/পাউডার ছাড়াই ফুলে একেকটা ঢোল আর বাইরের অংশ টা একদম পারফেক্ট খাস্তা হয়েছে। চলুন দেখে নেই step by step instructions ও ছবি সহ রেসিপিটি :)

চিকেন স্ট্রিপ্স/ ফিঙ্গার /টেন্ডার বা চিকেন ফিলেট যে নামেই ডাকেন না কেন খেতে কিন্তু সেইইইই মজা। বাচ্চা-বুড়ো সবার অনেক পছন্দের এই স্নাক্সটি নিয়ে আমার আজকের রেসিপি । চিকেন স্ট্রিপ্স ( Crispy Chicken Strips ) বিকেলের নাস্তায় বা বাচ্চার টিফিনে দেয়া যাবে। যারা একটু স্বাস্থ্য সচেতন তারা চাইলে তেলে না ভেজে ওভেনে বেক করেও খেতে পারবেন। আর খেতে খুবই সুস্বাদু :)

আমরা সবাই কমবেশি মোগলাই পরোটা বা কিমা খেতে পছন্দ করি আর সেজন্য ছুটি হোটেল-রেস্তোরার পানে। কিন্তু সেগুলো কতটা স্বাস্থ্যকর কখনো ভেবে দেখেছেন কি? রাস্তার পাশের এসব হোটেলের খাবার যারা খেতে চান না, তারা বাড়িতে চাইলেই বানিয়ে নিতে পারেন মজাদার কিমা পরোটা বা মোগলাই কিমা পরোটা। আর এই পরোটাটি বানাতে বেশ সহজ ও খেতেও মজার।

কি মজা...শীতের বুড়ি তার গাট্টি-বোচকা নিয়ে কেটে পড়ছে....গতকাল থেকে শুরু হয়েছে সুন্দর রোদ ঝলমলে দিনের :) আর এই ঝলমলে রোদের দিনে আইসক্রিম খেতে খুবই ভালো লাগে । বাচ্চারা তো বটেই তার সাথে আমার মত বুড়ো মায়েরাও আইসক্রিম খেতে ভালোবাসে। তাই সামার কে স্বাগত জানাতে এ বছরের আমার বানানো প্রথম আইসক্রিম..... একটু রঙ্গিলা ঢং এ :)

জাপানী কারটুন ক্যারেক্টার ডোরেমন এর কথা নিশ্চয়ই আপনাদের জানা আছে? প্রতিটা বাচ্চারই ফেভারিট কারটুন "ডোরেমন"। আর আমি নিশ্চিত যে বাচ্চারা ডোরার কেক সম্পর্কে জানে এবং খেতে খুবই আগ্রহী। ডোরায়াকি/ দোরায়াকি এক প্রকার জাপানি মিষ্টান্ন। এটি দুইটি প্যানকেক এর সমন্বয়ে গঠিত । খেতে খুবই সুস্বাদু এবং বাচ্চাদের খুবই প্রিয় এর প্যানকেকটি কীভাবে সহজেই ঘরে বসেই তৈরি করতে পারবেন,আজ আমি সে রেসিপিটি শেয়ার করবো আপনাদের সাথে...

আমার কাছে এটা অনেকটা কর্নফ্লাওয়ার হালুয়া বা বোম্বে করাচি হালুয়ার মতো লাগে। আমি জার্মানিতে থাকি, এখানকার টার্কিশ শপগুলো নানা রঙের ও ঢঙের টার্কিশ ডিলাইট পাওয়া যায়। তবে সেগুলো এত বেশি মিষ্টি যে এক টুকরো ও পুরোটা খেতে পারিনা আমি। তবে এটা মোটামুটি কম মিষ্টি হয়েছে। আসলে রেসিপিটি এমন যে চাইলেও একেবারে কম মিষ্টি দেয়া সম্ভব হয় না। চলুন আমরা দেখে নেই কিভাবে বানাতে হবে এটা তার পুরো প্রস্তুত প্রণালী।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বা গ্রামের মেলাতে ছোট ছোট একধরণের সিঙ্গাড়া পাওয়া যায় যেগুলো একসাথে ২/৩ টা করেও মুখে পোরা যায়। অনেকে এটাকে কুঁচো বা গুঁড়ো সিঙ্গাড়াও ডেকে থাকেন। আমার অতি প্রিয় সাহিত্যিক প্রায়াত হুমায়ুন আহমেদ স্যারের লেখা “রোদন ভরা এ বসন্ত” উপন্যাসেও এই সিঙ্গাড়ার বর্ণনা আছে। উপন্যাস টা যতবার পড়েছি.. ততবার এই পিচ্চি সিঙাড়ার জন্য মনটা উথাল পাতাল করেছে। মনে হয়েছে, ইশ যদি এক প্লেট পেতাম এখন। তাই এবারের রেসিপি মার্বেল সিঙ্গাড়া বা মিনি সিঙাড়া।