এই মজাদার ও সহজ হোমমেড মেয়োনিজ তৈরি করতে আপনার খুব সাধারণ কিছু উপাদানের প্রয়োজন হবে! যেটা আপনি নানারকম স্যান্ডউইচ , চিকেন সালাদ, ডিমের সালাদ, বার্গার ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন। আর বাড়িতে তৈরী এই মেয়োনিজ এতটাই সুস্বাদু যে আপনি দোকান থেকে আর কিনতে চাইবেন না।

শীতের সময় গরম খাবার খেতে একটু বেশিই আরাম লাগে। শীতের বিকেলের নাস্তায় ভাজাপোড়ার বদলে এক পেয়ালা ধোয়া ওঠা স্যুপ কিন্তু চমৎকার মানিয়ে যায়। পেটটাও যেমন ভরে তেমনি স্বাস্থ্যকর ও বটে। তাছাড়া রোগীর পথ্য হিসেবেও এই স্যুপ দারুন মানানসই। এই স্যুপটা আসলে অনেকভাবেই বানানো যায়… আমি সবথেকে সহজ পদ্ধতি টা দেখাচ্ছি!

ডিম দিয়ে বানানো সবচাইতে সহজ একটা স্নাক্সের নাম হলো এই ডিমের পাকোড়া বা এগ পাকোড়া। যেটা আপনি ইফতার, বিকেলের নাস্তা বা বাচ্চার টিফিনে দিতে পারবেন। খুব সহজ আর মজাদার একটা খাবার।

বিকেলের নাস্তায় ঝটপট কিছু বানানোর কথা ভাবছেন..? বা হঠাৎ আসা কোনো অতিথির সামনে গরম গরম কিছু রাখতে চাইছেন? তাহলে এই ঝাল পোয়া পিঠা হতে পারে একটা অন্যতম সমাধান। তাছাড়া যারা মিষ্টি কম পছন্দ করেন বা খেতে চান না তারা এই পিঠা টা বানিয়ে দেখতে পারেন….খুব ভালো লাগবে।

ইফতারিতে আমাদের বাঙালিদের কাছে আলুর চপ একটা অপরিহার্য আইটেম। প্রতিদিনের ইফতারিতে তো বানানো হয়েই থাকে ,অনেক সময় একটু ভিন্ন ধাঁচের ইফতারি বানালেও দেখা যায় তার মধ্যেও ইনি থাকেন। বিশেষ করে আমার বাসায় এরকমই ঘটনা ঘটে থাকে। সাধারণ আলুর চপ এর পাশাপাশি আমি মাঝে মাঝে এতে একটু ভিন্নতা আনি। এই যেমন কখনো একটু বেশি স্পাইসি, কখনো ধনেপাতা বা পুদিনাপাতার টাচ , কখনো মাংস , কখনো পেঁয়াজ এর পুর ভরে , কখনো সেদ্ধ ডিম চটকে , কখনো সেদ্ধ ডিম কুচিয়ে দিয়ে। সব গুলোই খুবই মজার হয় এবং স্বাদেও ভিন্নতা আনে। তবে সবথেকে সহজ আর পরিবারের সদস্যদের চাহিদা যেটাতে বেশি সেই রেসিপিটাই আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। দেখুন ভালো লাগে কিনা... :)

বাসায় ছোট-বড় দাওয়াতে বা নতুন কোনো অতিথি কে নিমন্ত্রণ করে খাওয়াতে চাইলে আমরা ভেবে পাই না কি কি আইটেম রান্না করা যায়। মাছ মাংসের বাইরে সাধারণত সেদ্ধ ডিমের কোরমা আমরা সবাই করে থাকি…আজ একটু ভিন্ন ভাবে মানে ডিমটাকে সেদ্ধ না করে পুডিং এর মত ভাপিয়ে নিয়ে তারপর কোরমা বানানোর রেসিপি শেয়ার করছি। গতানুগতিক মাছ মাংসের বাইরে যত্ন করে রান্না করা এই ভাপা ডিমের কোরমা ইনশাআল্লাহ আপনার অতিথির মন জয় করতে সাহায্য করবে। আমি দেখেছি দাওয়াতে সেদ্ধ ডিম রান্না করলে বাচ্চারা ছাড়া তেমন কেউ নেয় না। আর এভাবে রান্না করে দেখেছি সবাই অনেক আগ্রহ নিয়ে খায় সাথে খুব প্রশংসা ও করে…

আস্সালামুআলাইকুম। সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমার আজকের এপিসোডে। আপনাদের জন্য খুবই হেলদি এবং টেস্টি একটা রাস্তা তৈরি করে দেখাবো যেটা আপনারা সকাল বিকেলের নাস্তা অথবা বাচ্চার টিফিনের জন্য বানাতে পারেন। আপনারা সবাই জানেন ডিম আমাদের জন্য খুবই স্বাস্থকর এবং উপকারী একটা খাবার। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় যদি ডিম খাওয়া যায় তাহলে অনেক্ষন যাবৎ পেট ভরা থাকে আর ক্ষুধাও কম লাগে এবং এটা আপনার অল্পতেই পেটটাকে ভরিয়ে দেয়।