ঈদে মিষ্টিমুখ মানেই সেমাই-ফিরনী-পায়েস। সহজ রান্না তাই মোটামুটি সবাই পারেন। তারপরও যারা নতুন রাঁধুনি আছেন তাদের জন্য আমার এই স্পেশাল ফিরনীর রেসিপি। এভাবে সাধারনত বিয়ে বাড়িতে করে থাকে। যার জন্য ওই ফিরনিতে একটা স্পেশাল ব্যাপার থাকে। চলুন দেখে নেই বাবুর্চি স্টাইলে বিয়ে বাড়ির শাহী ফিরনি।

গায়ে হলুদের তত্ত্বে বা যেকোনো অনুষ্ঠানে একটু ভিন্নস্বাদের মিষ্টান্ন বানানোর কথা যদি ভেবে থাকেন তাহলে এই নারকেলের হালুয়া বা সন্দেশ হতে পারে মোক্ষম অস্ত্র। অল্প উপকরণে ঝটপট বানিয়ে নিন আর তাক লাগিয়ে দিন সব্বাইকে।

রসগোল্লা…, এটা শুধু একটা মিষ্টি নয়। বাঙালীর ঐতিহ্যের সাথে মিলেমিশে আছে এই নাম। এপার বাংলা বলুন আর ওপার বাংলা…মিষ্টি মানেই রসগোল্লা। দিনে দিনে যত বাহারি স্বাদের বা নামের মিষ্টিই আসুক না কেন রসগোল্লার জায়গা কেও কখনো নিতে পারে নি। চলুন আজকে এই রসগোল্লা বানানোর অদ্যোপান্ত জেনে নেয়া যাক।

অন্যান্য মাংস রান্নায় সাধারণ বা শাহী যেকোনো একটা গরম মশলা দিলেই চলে। কিন্তু বিয়ে বাড়ির স্টাইলে বা অরিজিনাল স্বাদে রোস্ট রান্না করতে চাইলে যেকোনো একটা গরম মশলা দিলেই হবে না। কারণ রোস্ট এর সাথে সবধরণের মশলা মানায় না। তাই বিয়ে বাড়ির মত সুস্বাদু করে রোস্ট রান্না করতে চাইলে অবশ্যই রোস্ট মশলা ব্যবহার করা উচিত। চলুন দেখে নেই বাবুর্চি স্টাইলে রোস্ট মশলার রেসিপি।

তেহারি আর বিরিয়ানির মধ্যে কিন্তু একটা সুক্ষ পার্থক্য আছে। রান্নার পদ্ধতিতে পার্থক্য তো আছেই সে সাথে তেহারি বিরিয়ানির তুলনায় অনেক হালকা মশলাদার হয় এবং রংটাও অনেক লাইট থাকে বিরিয়ানির মতো কালারফুল হয় না। আমরা অনেকেই তেহারি রান্নাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মশলা দিয়ে বিরিয়ানী বানিয়ে ফেলেন …দোকানের তেহারির মতো কালারটাও আসে না। তাছাড়া সব ধরণের মশলা তেহারীতে যায় ও না। তাই এবারে আপনাদের জন্য রইলো আসল তেহারি মশলার রেসিপি।

বাসায় সাধারনত মাটন কারী বা ভুনা টাই বেশি খাওয়া হয়ে থাকে সবার। কিন্তু কোনো অনুষ্ঠানে আমরা চাই অতিথি’র সামনে একটু স্পেশাল কোনো ডিশ পরিবেশন করতে। সেক্ষেত্রে মাটন রেজালা থাকতে পারে আপনার পছন্দের তালিকায়। খুব সহজ রেসিপিতে গুটিকতক উপকরণে আপনি নিজে ঘরেই তৈরী করতে পারেন বিয়ে বাড়ির স্বাদে ”মাটন রেজালা” ….অনেকটা কোরমার মতো স্বাদ আবার ঝাল ঝাল ও থাকে। আশা করছি ভালো লাগবে সবার।

চট্টগ্রাম জেলার নামের সাথে সমুদ্রসৈকত শব্দটা যেমন সবচেয়ে ভালো মানায়, তেমনি ভোজন রসিকের মনে চট্টগ্রামের সাথে মেজবান বা মেজবানি শব্দটাও সবার আগেই উঁকি দেয়। ঐতিহ্যবাহী মেজবান অনুষ্ঠানের সবচেয়ে প্রধান যে আকর্ষণ, তা হলো মেজবানি মাংস। তাই এবারে বাবুর্চিদের রেসিপিতে অরিজিনাল মেজবানি মাংস রান্নার পদ্ধতি রইলো আপনাদের জন্য।

বাংলাদেশী বিয়েবাড়িতে কাচ্চি বিরিয়ানির সাথে টক-ঝাল-মিষ্টি আলুবোখারার একটা চাটনী/আচার পরিবেশন করা হয়। চলুন তাহলে আজ দেখে নেয়া যাক সেই স্পেশাল চাটনীর রেসিপি।

খুব সহজে ঘরের সাধারন উপকরণ দিয়ে বানানো মোঘলাই ডেসার্ট শাহী টুকরার রেসিপি এবারে আপনাদের জন্য। ডেজার্টটির আসল স্বাদ পেতে চেষ্টা করবেন অবশ্যই ঘি এবং ঘন দুধ ব্যবহার করতে। মালাই বানানোর জন্য সময় বাঁচাতে চাইলে দোকানের কেনা হেভিক্রিম ও এভাপোরেটেড মিল্ক ব্যবহার করতে পারেন। আর মিষ্টি করার জন্য চিনির বদলে দিতে পারেন কনডেন্সড মিল্ক। তবে সবসময় যেহেতু এগুলো হাতের কাছে পাওয়া যায় না তাই ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণেই আমি শাহী টুকরার রেসিপি দিচ্ছি।

বাসায় একটু মুঘলদের খাবার-দাবার মানে পোলাও, বিরিয়ানী, কোর্মা, কালিয়া জাতীয় খাবার বানালে আমরা সাধারণত কোক বা 7up নিয়ে আসি। কিন্তু এই পঁচা ড্রিঙ্কস গুলোর বদলে খুব সহজে ঘরেই কিন্তু আমরা বোরহানি বানাতে পারি। সেটা খেতেও যেমন মজা তেমনি উপকারীও। আর স্বাদের কথা..? ঠিক যেভাবে আমি রেসিপিটি দিয়েছি সেভাবে একবার করেই দেখুন…… বিয়ে বাড়ি বা পুরান ঢাকার রেস্টুরেন্ট এর বোরহানির থেকে কোনো অংশে কম হবে না, গ্যরান্টি দিলাম। আপনার নিজের তৈরী করা বোরহানি খেয়ে আপনি নিজেই ফিদা হয়ে যাবেন।