ঈদে মিষ্টিমুখ মানেই সেমাই-ফিরনী-পায়েস। সহজ রান্না তাই মোটামুটি সবাই পারেন। তারপরও যারা নতুন রাঁধুনি আছেন তাদের জন্য আমার এই স্পেশাল ফিরনীর রেসিপি। এভাবে সাধারনত বিয়ে বাড়িতে করে থাকে। যার জন্য ওই ফিরনিতে একটা স্পেশাল ব্যাপার থাকে। চলুন দেখে নেই বাবুর্চি স্টাইলে বিয়ে বাড়ির শাহী ফিরনি।

গায়ে হলুদের তত্ত্বে বা যেকোনো অনুষ্ঠানে একটু ভিন্নস্বাদের মিষ্টান্ন বানানোর কথা যদি ভেবে থাকেন তাহলে এই নারকেলের হালুয়া বা সন্দেশ হতে পারে মোক্ষম অস্ত্র। অল্প উপকরণে ঝটপট বানিয়ে নিন আর তাক লাগিয়ে দিন সব্বাইকে।

শীতকাল শব্দটা শুনলেই ভোজন রসিকদের মাথায় পরপর কয়েকটা নাম সারি বেঁধে চলে আসে। যেমন, পিঠাপুলি, খেজুরের রস, খেজুর গুড়, বাহারি সবজি ইত্যাদি ইত্যাদি। আর শীতের সময়ে বাজার ভর্তি হয়ে যায় নানারকম সুস্বাদু টাটকা সবজিতে। গাজর তার মধ্যে একটি। সাধারণত বিভিন্ন রান্নাকে কালারফুল করতেই আমরা গাজর বেশি ব্যবহার করি। তাছাড়া এই সব্জিটা দিয়ে আরো নানারকম মুখরোচক ডেজার্ট বানানো যায়। যেমন গাজরের হালুয়া, গাজরের বরফি, ছানা গাজরের সন্দেশ বা ক্যারোট ডিলাইট, গাজরের কেক/ক্যারোট কেক, বেকড ক্যারোট ডিলাইট আরো কত কি! এই সব কিছুর মধ্যে সবথেকে সহজ আর ঝটপট তৈরী করা যায় গাজরের হালুয়া, আর এখন আমরা সেটাই দেখে নিবো।

রসগোল্লা…, এটা শুধু একটা মিষ্টি নয়। বাঙালীর ঐতিহ্যের সাথে মিলেমিশে আছে এই নাম। এপার বাংলা বলুন আর ওপার বাংলা…মিষ্টি মানেই রসগোল্লা। দিনে দিনে যত বাহারি স্বাদের বা নামের মিষ্টিই আসুক না কেন রসগোল্লার জায়গা কেও কখনো নিতে পারে নি। চলুন আজকে এই রসগোল্লা বানানোর অদ্যোপান্ত জেনে নেয়া যাক।

আমি ঠিক যে পরিমাপে বানিয়েছি সেই মাপটাই দিচ্ছি…। আপনারা পরিমাপ ঠিক রেখে উপকরণের পরিমান কমবেশি করে নিতে পারবেন। ঈদ মানেই খুশির বন্যা। খুশির পরিমানটা বাড়াতে নানারকম মুখরোচক খাবার বিশেষ করে মিষ্টিজাতীয় খাবার আমরা একটু বেশি করে থাকি এই দিনে। কেমন হয় যদি ঈদ বা অন্য যে কোনো অনুষ্ঠানে খাবার টেবিলে আপনার নিজের হাতের বানানো চমচম পরিবেশন করা যায়? ভাবছেন ঝামেলার ব্যাপার, যদি না হয়। হ্যাঁ, অবশ্যই ঝামেলার ব্যাপার। তবে নিজের হাতের বানানো জিনিসের মর্মই আলাদা। তাই আপনাদের এই ঝামেলাকে একটু সহজ করে দিতে আমার আজকের চেষ্টা। আশা করছি একটু হলেও কাজে আসবে। আর একটি কথা আমি বলতে চাই, যে রসগোল্লা বানাতে পারে সে চমচম ও পারবে। দুটোর মধ্যে প্রস্তুত প্রণালী’তে খুব বেশি তফাৎ নেই, যদিও স্বাদে আলাদা।

খুব সহজে ঘরের সাধারন উপকরণ দিয়ে বানানো মোঘলাই ডেসার্ট শাহী টুকরার রেসিপি এবারে আপনাদের জন্য। ডেজার্টটির আসল স্বাদ পেতে চেষ্টা করবেন অবশ্যই ঘি এবং ঘন দুধ ব্যবহার করতে। মালাই বানানোর জন্য সময় বাঁচাতে চাইলে দোকানের কেনা হেভিক্রিম ও এভাপোরেটেড মিল্ক ব্যবহার করতে পারেন। আর মিষ্টি করার জন্য চিনির বদলে দিতে পারেন কনডেন্সড মিল্ক। তবে সবসময় যেহেতু এগুলো হাতের কাছে পাওয়া যায় না তাই ঘরে থাকা সাধারণ উপকরণেই আমি শাহী টুকরার রেসিপি দিচ্ছি।

আমিত্তি বা আমৃতি বা ইমারতি বা ঝাংরি .....খাবারটি সবাই চিনেন মনে হয় :) খুবই মজার একটা মিষ্টি, অনেকটা জিলাপি খালাতো ভাইয়ের মতো কিন্তু জিলাপির থেকে আলাদা স্বাদের।অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল এটা বানানোর। অবশেষে বানিয়েই ফেললাম এবং পারফেক্ট টেস্ট। আমি আমার সাধ্যমত ট্রাডিশনাল আমিত্তির শেপ দেয়ার চেষ্টা করেছি। যেহেতু আমি কোনো প্রফেশনাল কুক নই এবং এটা আমার প্রথম চেষ্টা তাই মোটামুটি রকম বানাতে পেরেছি। আপনারা আপনাদের মতো চেষ্টা করবেন। আমি আপনাদের সুবিধার জন্য এর ভিডিও টাও জুড়ে দিলাম ..ভালো লাগলে অবশ্যই আমার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করবেন আশা করি :)

পিঠাটা এতটাই মজা যে আপনি একবার না বানানো পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না। আর বানানোর নিয়মটাও খুবই সহজ। তারপরও ছোট্ট একটা ''কিন্তু '' আছে। আর সেটা হলো অল্প আঁচে না ভাজলে আর অতিরিক্ত গরম সিরাতে পিঠা ফেললে পিঠার গায়ে ঠোস খেয়ে যাবে সাথে ভেতরে শক্ত রয়ে যাবে। এই যে ছবি গুলো দেখছেন এটা আমার দ্বিতীয় চেষ্টার ফল। প্রথমবারের ভুল গুলো শুধরে নেয়ার পরই, এরকম পারফেক্ট রসে টুপটুপে পিঠা পেয়েছি। টিপসসহ রেসিপি থাকলো , ইনশাআল্লাহ আপনাদের ভালো লাগবে।

বৈশাখ স্পেশাল ''পাতা গজা'' ??☘এবারের বৈশাখে নতুন কি বানাবো তাই ভাবছিলাম। অনেক ধন্যবাদ Ilora Awal আপুকে , দারুন এই আইডিয়া শেয়ার করার জন্য। আমি ওনার রেসিপি দেখেই করেছি আর সেটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আপনাদের সুবিধার জন্য স্টেপ বাই স্টেপ ছবিও থাকলো :)

আমাদের দেশে শীতকালে প্রতিটি অঞ্চলেই বিভিন্ন উপলক্ষে পিঠা বানানো ও খাওয়ার উৎসব চলে। এটা আমাদের ঐতিহ্যেরই একটা অংশ। শীতকালিন পিঠার একটি বড় অংশই গুড়ের দখলে। তাই এবারের শীতে আপনাদের জন্য থাকলো গুড়ের জিলাপির রেসিপি। যারা এই জিলাপি খেয়েছেন তারা নিশ্চয় জানেন এটা কতটা মজার ! আর যারা খাননি.... তারা ঝটপট বানিয়ে খেয়ে নিন :)